Connect with us

Recent Analysis

আসাম কি হতে যাচ্ছে পরবর্তী রাখাইন?কোন পথে ভারত?

The International State Crime Initative ( ISCI) – এর মতে কোন গনহত্যা বা জাতিগত নিধনের জন্য ৫ টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।ধাপ ৫ টি হলো ক্রমান্বয়ে কলঙ্ক লেপন,হয়রানি,বিচ্ছিন্ন করণ,ধারাবাহিকভাবে দুর্বল করণ ও সর্বশেষ গণহত্যা বা জাতিগত নিধন।(  Bangla News 24.com।১১ ই সেপ্টেম্বর  ২০১৭)
বহুল আলোচিত মিয়ানমায়ের রাখাইন প্রদেশের মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর যে গনহত্যা বা জাতিগত নিধন হয়েছে সেখানে আমরা পাঁচটি ধাপেরই নির্মম বাস্তবায়ন দেখতে পাই।নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের উপর কলঙ্ক লেপণের  কাজটি করা হয় ১৯৭৪ সালে।সেই কলঙ্ক লেপনের জের ধরেই ১৯৮২ সালে এক বিতর্কিত আইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।সেই থেকে তাদের’ বেঙ্গলী ‘(বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী)তকমা দিয়ে মিয়ানমার থেকে বিতাড়নের চেষ্টা চলছে।হয়রানির ধাপে এসে আমরা দেখি মিযানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিলের পর তাদেরকে সরকারি বেসরকারি চাকুরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা শুরু করে।সেই সাথে শুরু করে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নানামুখী রাষ্ট্রীয় নির্যাতন আর নিপীড়ন।জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়াটি শুরু করে ২০১২ সালের দিকে তাদেরকে গ্রামের বাহিরে আসা বন্ধ করে দিয়ে।রোহিঙ্গাদের কার্যতঃ নির্দিষ্ট একটা সীমানায় অর্থাৎ গ্রামে আটকে রেখে দেশের অন্যান্য অঞ্চল বা মানুষদের থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়।তৃতীয় ধাপের সফল সমাপ্তি ই চতুর্থ ধাপকে অর্থাৎ ধারাবাহিক ভাবে দুর্বলকরণের পথকে সুগম করে।যেমন রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র বাতিল,ভোটাধিকার বাতিল,চলচলে বিধি নিষেধ আরোপ,শিক্ষা, স্বাস্থ্য  চিকিৎসার মতন মৌলিক অধিকার খর্ব,ধর্ম ও জীবিকা নির্বাহের অধিকারকে সংকুচিত করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ধারাবাহিকভাবে দুর্বল করে।মূলতঃ প্রথম থেকে চতুর্থ ধাপের সফল সমাপনীই পঞ্চম ধাপের অর্থাৎ জাতিগত নিধন বা গনহত্যার পথকে সুগম করে।সেই পরিপ্রেক্ষিতেই  ISCI  এর পরিচালক অধ্যাপক পেনি গ্রিণ ২০১৫ সালে বলেছিলেন, ‘ গনহত্যার পথের ৫ টি ধাপের মধ্যে ৪ টি ধাপ মিয়ানমার সরকার বেশ আগেই সম্পন্ন করেছে। শেষ ধাপটি মিয়ানমারের করা অসম্ভব নয়’।২০১২ সালের রোহিঙ্গাদের উপর হামলাকেও  অধ্যাপক পেনি গ্রিন “গনহত্যার প্রক্রিয়া” হিসেবেই অভিহিত করেছিলেন। (  Bangla News 24.com। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
অধ্যাপক পেনি গ্রিনের সেই শঙ্কাকেই বাস্তবায়ন হল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট এসে।সামরিক জান্তা সমর্থিত সেনা ও উগ্র বৌদ্ধদের ব্যাপক হত্যা,ধর্ষণ,অগ্নিসংযোগ আর নির্যাতনের মুখে রাখাইন প্রদেশ ছেড়ে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নেয় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা অসহায় শিশু,বৃদ্ধা, নারী আর পুরুষ। টেকনাফের কুতুপালং ক্যাম্পটি হলো স্বল্প সময়ে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ শরনার্থী ক্যাম্প।

এখন আসি ভারতের আসাম রাজ্যের আলোচনায়। আসাম ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি রাজ্য।এটি পশ্চিমে সংকোশ নদী থেকে পূর্বে সাদিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। ২০১১ সালে অনুষ্ঠেয় সর্বশেষ আদমশুমারী অনুযায়ী আসামের বর্তমান জনসংখ্যা হলো প্রায় ৩ কোটি ১২ লাখ ৫ হাজার ৫৬৬জন।মুসলিম অধ্যুষিত ৯ টি জেলায় প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ লোক বসবাস করে।(উইকিপিডিয়া)
অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৩৪.৩ ভাগ হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বী বাঙালি মুসলিম।
রাখাইনের মতন ভারতের আসাম রাজ্যেও ১৯৮৫ সালে এক বিতর্কিত আইন পাস করা হয়।আইনে বলা হয়েছে ১৯৭১ সালের ২৪ শে মার্চের পর যারা ঐ রাজ্যে প্রবেশ করেছে তারা বিদেশি বলে গন্য হবে।ইতোপূর্বে ভারতের কোন সরকারই এই বিতর্কিত আইনে হাত না দিলেও ২০১৬ সালের রাজ্য নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকারের মূল এজেন্ডা ঠিল ” বাঙ্গালি খেদাও ( মূলতঃ বাঙ্গালি মুসলিম খেদাও) ইস্যুর।ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি এই সাম্প্রদায়িক ধোঁয়া তুলেই ২০১৬ সালের নির্বাচনের বৈতরণী পার হয়ে ক্ষমতায় আসে এবং   NRC ( National Registry of Citizens)বা নাগরিক পুঞ্জির কার্যক্রম শুরু করে। NRC র কার্যক্রমের শুরু থেকেই তা নানামুখী কারণের জন্য বিতর্কিত হচ্ছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক,সরকারি কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সুপরিচিত লোকজনের এতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এর আসল উদ্দেশ্য নিয়ে নানামুখী  বিতর্কের জন্ম দিচ্ছিলো।উল্লেখ্য যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পূর্বে কয়েক দফা খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয় আর তখনই বড়সড় নানা অসঙ্গতি ধরা পরে।কয়েক দফা খসড়া তালিকা প্রকাশের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয় গত ৩১-৭-২০১৮ ইং তারিখে।আর সেই তালিকায় বাদ পরে ৪০ লাখ আসামীয় বাঙ্গালি,যাদের অধিকাংশই মুসলিম। এই তালিকার মাধ্যমে এদেরকে কার্যত বিদেশি, অভারতীয়, অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই চিহ্নিত করা হলো। এ তালিকা প্রকাশের পর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পরা ৪০ লাখ লোকের ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  মুখে যদিও বলেছে এখনই তাদের ভয় পাওযার কিছু নেই কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমস্যার কথা না বললেও শঙ্কার কথাই শুনাচ্ছেন প্বার্শবর্তী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।তিনি মনে করছেন আসাম থেকে এইবার এই মানুষগুলোকে বিতাড়নের চেষ্টা হবে।কলকাতায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন” তাদের ( বাদ পরা আসামীয় বাঙ্গালী)  উপর যে কী অত্যাচার চলবে,আর কী হবে আমরা জানি না।কিন্তু সেটা ভেবেই আমরা খুব বিচলিত। আসলে দেশে থেকে যারা আজ দেশেই রিফিউজি হয়ে গেলো তারা তো আমাদেরই ভাইবোন,তাই আমরা দুশ্চিন্তায় আছি।” তিনি এই ৪০ লাখ মানুষের প্রতি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে ” এটা আসলে বাঙ্গালী খেদাও চলছে।আর শুধু বাংলাভাষীরাই কেন,বিহারী খেদাও চলছে।আর এতে সবচেয়ে বিপদে পড়বে বাংলাদেশও।কারণ পুশব্যাক যদি করতে চায়,আর বাংলাদেশ যদি নিতে না চায় তাহলে এই লোকগুলো যাবে কোথায়”?( ৩০ জুলাই ২০১৮,বিবিসি বাংলা)

সেই শঙ্কাটি আরো বৃদ্ধি পায় আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনায়ালের কথায়,তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেন” নাগরিকত্ব তালিকায় যাদের নাম থাকবে না তাদের কোন সাংবিধানিক বা মৌলিক কোন অধিকার থাকবে না।বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত তারা কেবল মানবিক কারনেই ভারতে থাকার অধিকার পাবে।তিনি আরো বলেন “NRCর বাহিরে থাকা মানুষ কেবল জাতিসংঘ  ঘোষিত মানবাধিকারের জন্য বিবেচিত হবে।ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তাদেরকে ফেরত পাঠানোর উদ্যেগ না নেয়া পর্যন্ত তারা শুধু অন্ন বস্ত্র ও আশ্রয়ের অধিকার পাবে”।
২৮-৩-২০১৮ ইং তারিখে আসামের অর্থ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বা শর্মাও মুখ্যমন্ত্রীর সুরে  সাংবাদিকদের বলেন”  NRC র তালিকায় যাদের নাম নেই তাদের অবশ্যই বিতাড়ন করা হবে”।

এনআরসি নামক এই মহা বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে বিজেপি সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির মতন কেন্দ্রীয় সরকারও বেশ কিছু সময় নীরব ছিলেন।কেন্দ্রীয় সরকারের কেউই এই বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে কোন কথা বলেননি।নাগরিকপুঞ্জি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে সর্বপ্রথম মুখ খুলেন বিজেপির থিং ট্যাঙ্ক হিসেবে পরিচিত পার্টি সেক্রেটারি রাম মাধব রায়।
বিজেপির প্রভাবশালী সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব ১০-৯-২০১৮ ইং রোজ সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে এনআরসি বিষয়ক এক আলোচনাসভায় তাদের এই নীতির কথা ঘোষণা করেছেন।
সেখানে তিনি বলেন, তাদের পরিকল্পনা হল তিনটে ডি – ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট।
”প্রথম ধাপে অবৈধ বিদেশি কারা, তাদের শনাক্ত করা হবে (ডিটেক্ট) – যেটা এখন চলছে,” তিনি বলেন।
“তারপর ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া ও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে (ডিলিট)। আর তারপর আমরা তাদের বাংলাদেশে ডিপোর্ট করবো।”
এর আগে বিজেপির শীর্ষ স্তরের কোনও নেতাই এত স্পষ্টভাবে এনআরসি থেকে বাদ-পড়া লোকজনকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেননি।(বিবিসি বাংলা ১১-৯-২০১৮)।

ভারত সরকার বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি ঠিকই ‘কূটনৈতিক দক্ষতায় ম্যানেজ করে নিতে পারবে’ বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে বাংলাদেশ সরকার অনেক আগেই জানিয়ে দিয়েছে তারা এদের বাংলাদেশী নাগরিক বলে মনে করে না, আর তাই তাদের ফিরিয়ে নেওয়ারও কোনও প্রশ্ন নেই।( বিবিসি বাংলা ঐ)

বিজেপির প্রধানমন্ত্রী মুখে কিছু না বললেও BJP র সাধারণ সম্পাদকের বক্তৃতার মতনই আসামের স্থানীয় রাজনৈতিক, দেশি বিদেশি বিভিন্ন বিশ্লেষক এবং সচেতন মহলের জোরদার ধারণা হচ্ছে কাগজপত্রহীন( অনেকের কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও  নাম আসেনি,একই পরিবারের ৫ জনের নাম এসেছে ২ জনের নাম আসেনি) সকল নাগরিককে বাংলাদেশ পাঠানো হবে।

তবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আল জাজিরার সাথে আলাপকালে বলেন, ‘আসাম থেকে কাউকে বাংলাদেশে বিতাড়নের কোন তথ্য তার জানা নেই।তিনি বলেন ‘ এ ধরণের কোন সম্ভাবনার বিষয়ে আমরা অবহিত নই’।
বাংলাদেমের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত জনাব এইচ টি ইমাম সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লি সফরেও প্রায় একই এবং অভিন্ন কথাই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ এই বিষয়ে নিজেদের তথ্য না জানার বিষয়টি বারবার বললেও বিবিসি,আলজাজিরা,এশিয়ান মনিটর সহ বিভিন্ন ভূ রাজনৈতিক বিশ্লেষকের আশংকা হচ্ছে ভারত সরকারের  এ ধরনের উদ্যেগ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মতন পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে,বিশ্লেষকগণ নিজেদের শঙ্কা  প্রকাশ করে বলেন যে, “সংখ্যালঘু মুসলিম বিতাড়নে মিয়ানমারের রাখাইনে যেমন রোহিঙ্গা নিধন অভিযান চলেছে আসামের ‘বাঙালী খেদাও’ মিশনও সেই রকম ভয়ংকর আকার ধারণ করতে পারে।”
বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কিছু না বলে কুটনৈতিক ভাষা প্রয়োগ করলেও ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য আসার পর বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে জোরদার কোন বক্তৃতা বা বিবৃতি প্রদান করেনি।তাহলে কি মিয়ানমারের মতন ভারতের সাথেও আমরা কূটনীতিকভাবে পুনরায় পর্যুদস্ত হবো? ২৫ -৮-২০১৭ সালের পর থেকে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গা ও পূর্বে বিভিন্ন সময়ে আসা প্রায় ৪-৫ লাখ রোহিঙ্গা নিয়ে এমনিতেই বাংলাদেশ হিমশিম খাচ্ছে।

৪০ লাখ আসামীয় বাঙালি কি তাহলে রোহিঙ্গাদের ভাগ্যই বরণ করতে যাচ্ছে???  তবে কি নিজ ভূমেই পরবাসী হতে যাচ্ছে ৪০ লাখ শিশু,নারী আর আবাল বৃদ্ধা  বণিতা??? মিয়ানমারে যেমন আমরা দেখেছি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিস্পৃহ ভূমিকা পালন করতে আসামেও হয়তো তেমনই ভূমিকা পালন করবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।সস্তা কিছু বুলি আর নিন্দা প্রস্তাব পাস করেই হয়তো নিজেদের দায়িত্ব পালন করে ফেলবে বিশ্ব বিবেক।বড়জোর হয়তো কিছু ত্রাণ সাহায্য দিয়েই নিজেদের দায়িত্বশীল আচরণের প্রকাশ করবে।কিন্তু এমনটিই কি হওয়া উচিত?মানবতা আর মনুষ্যত্ব কি কেবল নির্দিষ্ট কতেক মানুষ বা সম্প্রদায়ের জন্যেই সীমাবদ্ধ। নাকি নিদির্ষ্ট একটি সম্প্রদায়ের মানবাধিকার থাকতে নেই??? বিবেকবান মানুষের কামনা বিশ্ব বিবেক জেগে উঠুক,  জেগে উঠুক কথিত বৃহৎ গনতন্ত্রের দেশ ভারতের নেতৃবৃন্দের মনে মনুষ্যত্ব। পৃথিবীর বুকে নতুন করে না হউক আর কোন বনীআদম ঘর হারা,গৃহ হারা। সবাই নিরাপদে,নির্বিঘ্নে নিজ নিজ পিতৃভূমিতে বসবাস করুক।শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে আমরা এই প্রত্যাশাই করি।

 

লেখকঃ তরিকুল ইসলাম তাসিকুল, শিক্ষার্থী

সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *